Home / উপ-সম্পাদকীয় / পাইকগাছা উপজেলা বাসীর সমস্যা ও সম্ভাবনা

পাইকগাছা উপজেলা বাসীর সমস্যা ও সম্ভাবনা

খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলা নদীগুলোর মরতে বসা অবস্থায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এলাকার স্থানীয় জনগণ।
পাইকগাছা উপজেলা প্রায় সব নদী গুলো ভরাট হয়ে প্রায় মাছ শূন্য হয়ে পড়েছে সেই সাথে নদীর নব্যতা হ্রাসের কারণে বেড়েছে উজানে পানি বৃদ্ধির প্রবণতা । আসছে সীতের মৌসুমে নদী খনন করার উপযুক্ত সময়। এসময় নদীতে পানি প্রবাহ কম থাকে যার ফলে নদীর স্রোতও থাকে কম।এলাকায় নদী ভাঙ্গন কম থাকলেও যে হারে চর জেগে উঠছে তাতে করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে যেমন জেগেছে হতাশা তেমন দেখা দিয়েছে এক বিপুল সম্ভাবনার!
পাইকগাছা উপজেলা লবনাক্ত নদীতে যেভাবে একসময় মাছ দেখা যেত এখন তার সিকি ভাগও দেখা যায় না।ফলে নদীতে যারা মাছ স্বীকার করে জিবিকা নির্বাহ করতেন তারা এখন মাছ স্বীকার ছেড়ে অন্যন্য পেশায় যুক্ত হচ্ছেন।
এখানে উদ্বেগের বিষয় হলো নদীতে মাছ পাওয়া যাচ্ছেনা কেন এবং আগের তুলনায় মাছ অধিকহারে কমে যাওয়ার কারণ কি?
আমি এর পূর্বে আরোও একটা কলামে বলাছিলাম এলাকার নদী গুলো মাছশূন্য হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে একটা গবেষণা করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
আমাদের পাইকগাছা উপজেলা অত্যন্ত দরিদ্র মানুষের বসবাস। এ এলাকার মানুষ গুলো মাটির মতো নরম আর সরল সোজা।এখানকার মানুষের দুঃখ দুর্দশা দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেকেই জাতীয় সংসদে যেতে পেরেছেন কিন্তু খুব বেশি পরিবর্তন লক্ষা করা যায়নি।পাইকগাছা কয়রার বর্তমান সংসদ সদস্য জনাব আক্তারুজ্জামান বাবু তিনি তাদের থেকে ব্যতিক্রম সেটা আমরা পূর্ব থেকেই জানি।
তিনি যদি এ ব্যাপারে একটু আগ্রহ দেখান তাহলে হয়তো নদী সংক্রান্ত বিষয়টার একটা সমাধান আসতে পারে।
আমি আমার পাইকগাছার একটা চিত্র এখানে তুলে ধরতে চাই।যাতে করে উক্ত উপজেলার একটা সার্বিক চিত্র ফুটে ওঠে।

পাইকগাছা উপজেলা নদ, নদীর ভেতরে উল্লেখযোগ্য শিবসা ও কপোতাক্ষ।এছাড়াও পাইকগাছা উপজেলার জলমহালের তথ্য বিবরণী নিম্নে দেওয়া হল। ১) দোয়ানিয়া খাল (২) বসুখালী খাল (৩) সিলেমানপুর জলকর (৪) কাশিমনগর জলকর (৫) সোনাখালী খাল (চাঁদখালী), (৬) কাটাখালি খাল (লস্কর) (৭) ঠাকুরনবাড়ির খাল (৮) লেবুবুনিয়া খাল (৯) কাটাখালী খাল-১ (চাঁদখালী), (১০) বেতাঙ্গী নদী (বদ্ধ) জলমহাল (১১) ভেটকার খাল(১২) ছিদামখালী খাল (১৩) ধামরাইল খাল (বদ্ধ) জলমহাল (১৪) কালিদাশপুর খাল  (১৫) কলমিবুনিয়া (বদ্ধ) জলমহাল (১৬) কাটিপাড়া  জলমহাল (১৭) শিববাটি জলমহাল (১৮) হোল্ডিং-২২ (১৯) হরিদাসকাটি জলকর (২০) রামচন্দ্র নগর জলকর (২১) বিলপরানমালি খাল  (২২) মটবাড়ি খাল (২৩) পাখিউড়া খাল (২৪) শংকর দানা সীমানা খাল (২৫) হেতালবুনিয়া খাল (২৬) ধোপাখালী খাল (২৭) গোপি পাগলা জলকর (২৮)  ফুলবাড়িয়া খাল (২৯) দারম্নন মলিস্নক খাল (৩০) দিঘলিয়া খাল (৩১) মধুখালী খাল (৩২) বাইনবাড়িয়া খাল (৩৩) কলমিবুনিয়া খাল (৩৪) গহরনামের খাল (৩৫) নিমাইখালী খাল (৩৬) সন্যাসী খাল  (৩৭) গেওয়াবুনিয়া জলকর(৩৮) চকনোয়াল তলা খাল (৩৯) নিকরির ছোপ খাল (৪০) বগুড়ার খাল, (৪১) আমুরকাটা স্রোতের খাল(৪২) কুমখালী জলকর  (৪৩) হরিণখোলা খাল (৪৪) বিগরদানা খাল(৪৫) কানাখালী খাল (৪৬) বাতিখালী খাল (৪৭) মৌখালী খাল (বদ্ধ) জলকর (৪৮) সরেংগা ভরেংগার জলকর (৪৯) পরামর্শ খাল (৫০) বাশতলা খাল।
সাতক্ষীরায় ডিসির কাছে ঘুষ দাবীঃভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্থ
প্রাকৃতিক সম্পদ

পাইকগাছা উপজেলাতে তেমন কোন প্রাকৃতিক সম্পদ নাই এখানে প্রাকৃতিক সম্পদ বলতে মাছ আর মাছ এখানে আপনা আপনি মাছ তাদের ডিম ছেড়ে বংশ রিস্তার করে পানি সরবরাহের গেটের মাধ্যমে ও বাধকেটে বা বাধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানি প্রবেশের ফলে প্রাকৃতিক পানির সাথে ভেসে আসা অন্যান্য মাছের পোনার ন্যায় বাগদা চিংড়ির পোনা আটকে পড়তো যা চাষীগণ জাল থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে আহরণ করতো। স্বাধীনতার পর বিশ্ব বাজারে চিংড়ি রপ্তানী ও চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষীগন বৃষ্টি মৌসুমের আগে নদী থেকে বাগদা চিংড়ী পোনা ধরে খালের পানিতে আটকে রেখে ৪-৫ মাস পর বৃষ্টি শুরুর আগেই আহরণ করে তাদের জমিতে আমন ধানের আবাদ করতো। পর্যায়ক্রমে চাষীগন বাগদা চিংড়ীর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পানির উর্ববরতা বৃদ্ধি ও সম্পূরক খাদ্য ব্যবহারের মাধ্যমে পরিকল্পিত ভাবে বাগদা চিংড়ী চাষ শুরু করে। ১৯৯০ সাল থেকে কারখানায় চিংড়ী খাদ্য উৎপাদন শুরুহয়, ১৯৯২ সাল থেকে বানিজ্যিক ভাবে হ্যাচারীতে বাগদা চিংড়ী পোনা উৎপাদন শুরুএবং চিংড়ী চাষের উপকরণ প্রাপ্তি সহজলভ্য হওয়ায় এ এলাকায় মানুষের মধ্যে একক ও সমাজভিত্তিক চিংড়ী চাষের প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রসারিত হয়েছে চিংড়ী চাষের ক্ষেত্র। গত এক দশক আগেও অত্র উপজেলায় বাগদা চিংড়ীর উৎপাদন ছিল ৩৫০০মেঃটন, যা ২০১৩ সালে ৫৭২০মেঃ টঃ উন্নীত হয়েছে।এখানে উৎপাদিত বাগদা চিংড়ীর দাম অন্যান্য এলাকার তুলনায় কম। প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং বাগদা চিংড়ী উৎপাদনের প্রয়োজনীয় খাদ্য সহজে পাওয়ার কারনে ব্যাপকভাবে বাগদা চিংড়ী উৎপাদিত হয়, ফলে কম মুল্যে বাগদা চিংড়ী ক্রয় করা সম্ভব।পাইকগাছা উপজেলাতে ব্যাপক বাগদা চিংড়ী উৎপাদন হওয়ায় এ এলাকার বিশাল একটি জনগোষ্ঠী বাগদা চিংড়ী উৎপাদনের সাথে সম্পৃক্ত বিধায় তাদের আর্থিক আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে বাগদা চিংড়ী উৎপাদন ও ক্রয় বিক্রয়ে ভুমিকা রাখে। গরীব,অসহায়,বেকার যুব,ধনী সহ সকল স্তরের মানুষ চিংড়ী চাষে উপকার ভোগ করে থাকেন।বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঢাকাসহ বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতে এ বাগদা চিংড়ী বিক্রি হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারী ও খুচরা ব্যবাসায়ীরা এসে বাগদা চিংড়ী ক্রয় করেন। বিশ্বের বিভিন্নদেশ সহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষের কাছে এটি সুপরিচিতি লাভ করেছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জেলা সদর হতে দূরত্ব ৬৫ কি:মি:আয়তন ৩৮৩.২৭ বর্গ কিলোমিটার (সুন্দরবন সহ)জনসংখ্যা 
২,৪৭,৯৮৩ জন (২০১ ১ সালের আদম শুসারী অনুযায়ী)
মুসলমান জনসংখ্যা ১,৬৬,৫৬৪ জন (৬৭.১৭%)হিন্দু জনসংখ্যা ৮০,৩৩২ জন (৩২.৪০%)খ্রীষ্টান জনসংখ্যা ১,০৮৭ জন (০.৪৪%) পুরুষ১,২৩,৯০০ জন মহিলা১,২৪,০৮৩ জনলোক সংখ্যার ঘনত্ব ৬০৩ জন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে)মোট ভোটার সংখ্যা ১,৮৩,৩০১ জন পুরুষভোটার সংখ্যা৯৪,৩৪০ জন মহিলা ভোটার সংখ্যা৯২,৯৬১ জনবাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪৭%মোট পরিবার(খানা) ৮২,৯৭০ টিনির্বাচনী এলাকা খুলনা-৬(পাইকগাছা)গ্রাম ২১২ টিমৌজা ১৭০ টিইউনিয়ন ১০ টিপৌরসভা ০১ টিএতিমখানা সরকারী ০ টিএতিমখানা বে-সরকারী ০৩ টিমসজিদ ৩২৮ টিমন্দির ১৮১ টিনদ-নদী ২৮ টিহাট-বাজার ১৭ টিব্যাংক শাখা ১২ টিপোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস ২৮ টিটেলিফোন এক্সচেঞ্জ ০১ টিক্ষুদ্র কুটির শিল্প ০ টিবৃহৎ শিল্প ০ টি
কৃষি সংক্রান্তমোট জমির পরিমাণ ৯৯,২০৩ হেক্টরমোট আবাদী জমির পরিমান ২৩,১০৮ হেক্টরমোট পতিত জমির পরিমান ৪২, হেক্টরএক ফসলী জমি ১৫৬০৭ হেক্টরদুই ফসলী জমি ৬২৫৪ হেক্টরমাঝারী উচু জমির পরিমান ১১,৫৫৩ হেক্টরমাঝারী নিচু জমির পরিমান ৪০৯৬ হেক্টরফসলের নিবিড়তা ১৩৯%সাময়িক পতিত জমি ৭৯৩৫ হেক্টরখাদ্য চাহিদা (২০১১-২০১২) ৫১৫৩৪মেঃটনখাদ্য উৎপাদন(২০১১-২০১২) ৪৮৭৬৮  মেঃ টনউদ্বৃত্ত(+)/ঘাটতি(_) ২৭৬৬ মোঃ টন (ঘাটতি-)

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত হাসপাতাল ০২ টি মোট শর্যা সংখ্যা ৫০+১০=৬০ টি পরিবার কল্যান কেন্দ্রের সংখ্যা ৪ টি কমিউনিটি ক্লিনিক এর সংখ্যা ৩১ টি কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা ১২জন এম্বুবুলেন্স এর সংখ্যা ২টি মঞ্জুরীকৃত ডাক্তারের সংখ্যা ২১ জন
ভূমি ও রাজস্ব সংক্রান্তমৌজা ১৭২ টিইউনিয়ন ভূমি অফিস ৬ টিপৌর ভূমি অফিস ০১ টি খাস জমি ১২৩৪.১৬৪ একরকৃষি ২৮৭.৯৮ একরঅকৃষি ১০৪৭.৬৬ একরকমিউনিটি সেন্টারের সংখ্যা ৯টিবাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর দাবী (২০১২-১৩) 
সাধারণ=৩৮,৬০,২৮০/-
সংস্থা = ১,৮৮,০৪,৭৪৭/-
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(আদায়) 
সাধারণ=২৭,৩১২/- জুলাই মাসে আদায়
সংস্থা = জুলাই মাসে আদায় নেই
হাট-বাজারের সংখ্যা ৩৪ টি
যোগাযোগ সংক্রান্তপাকা রাস্তা ৭৬.৪৬ কিঃমিঃঅর্ধ পাকা রাস্তা ২১১.৭৭ কিঃমিঃকাঁচা রাস্তা ৪৫৬.৭৭ কিঃমিঃব্রীজ/কালভার্টের সংখ্যা ৫০০ টিনদীর সংখ্যা ২৮টি
 পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ৪ টিপরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক ৪ টিএম.সি.এইচ. ইউনিট ০১ টিসক্ষম দম্পতির সংখ্যা ৫৬,১৩৪ জন
মৎস্য সংক্রান্ত পুকুরের সংখ্যা ৬০১৮ টিমৎস্য বীজ উৎপাদন খামার সরকারী ১ টিমৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বে-সরকারী ০২ টিবাৎসরিক চিংড়ি উৎপাদন এর পরিমান ৫০১৩.৫০০মেঃ টনসরকারী জলমহল এর সংখ্যা ৮৬টি
প্রাণি সম্পদ
উপজেলা পশু চিকিৎসা কেন্দ্র ০১ টি মোট গবাদী পশুর সংখ্যা ৬৪.৬৯৫ টিমোট হাস মুরগিন খামারের সংখ্যা ৩৫৭ টি রেজিট্রিকৃত হাস-মুরগির খামার ২৪৯টি সুদ মুক্ত ঋনের পরিমান ৬,৯০,০০০.টাকা
সুদ মুক্ত ঋনের কিস্তি বাবদ আদায়
 ৬,০৪,৪৩৫.০০ টাকাসুদ মুক্ত ঋনের সুবিধা ভোগির সংখ্যা ১৩৫ জন।
এই হলো আপাতত একটা সার্বিক চিত্র।
নদী ভরাটের ব্যাপারটা এখানে উল্লেখযোগ্য তবে আশার কথা হলো এলাকার মানুষের সহায়তায় স্থানীয় কর্মকর্তারা জেগে ওটা চরে সুন্দরবনের ছোঁয়া লাগিয়েছেন।সেরকম কয়েকটি স্থানের নাম উল্লেখ করতে চাই।
সামাজিক বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুধু পাইকগাছার বিভিন্ন এলাকায় জেগে ওঠা চরে এমন বনায়ন করা হয়েছে প্রায় ৫৫ হেক্টর। এর মধ্যে সোলাদানা ইউনিয়নের ভেকটমারী ও পাটকেলপোতা গ্রামে সাড়ে ২৩ হেক্টর, লতা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাড়িয়া গ্রামে ১২ হেক্টর, দেলুটি ইউনিয়নের সদর গ্রামে সাড়ে ১৪ হেক্টর ও পাইকগাছা পৌরসভা এলাকার সাড়ে ৫ হেক্টর জমিতে ওই বনায়ন গড়ে তোলা হয়েছে। সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা ওই বনে রয়েছে কেওয়া, বাইন, গেওয়া, কাঁকড়া, সৈল ও গোলপাতাগাছ। 
সর্বশেষ যে বিষয়টা বলতে চাই তা হলো,
এই বনায়ন কৃত স্থান হতে পারে পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান।
এলাকায় কোন কলকারখানা না থাকায় স্থানীয় প্রায় অর্ধেকই জনগোষ্ঠী বেকার থাকে।পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করলে ফিরে আসতে পারে সচ্ছলতা। এখন পর্যটন শিল্পের যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে সেই অনুযায়ী আমরা যদি আগাম প্রস্তুতি নিয়ে সুরু করি তাহলে স্থানীয় জনগণের বেকারত্ব যেমন ঘুচবে তেমন ফিরে আসবে সচ্ছলতা। আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে মুসলিম বিশ্বের সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

(উল্লেখ্যঃ এখানে উল্লেখিত তথ্য সরকারি ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া হয়েছে।)

About WNN

Leave a Reply

Your email address will not be published.